মেনু নির্বাচন করুন
গল্প নয় সত্যি

সফলতার গল্প

চেষ্টা ও পরিশ্রম করলে যে ভাগ্যের উন্নয়ন হয় তা প্রমাণ করেছেন রাজাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের পাঁচ পরিবার। ফলে একসময় তারা অসহায়, দরিদ্র এবং দুঃখী জীবনযাপন করলেও এখন উল্টো অবস্থায় চলছেন। সদর ইউনিয়নের ইলিয়াস, ইকবাল, রোজিনা, মনিরা ও রুহুল আমিনের পরিবার মিলে গত বছর ৫০ হাজার টাকা ঋণ নেন বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে। তারপর দুই বিঘা জমি লিজ নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে শুরু করেন জৈব পদ্ধতিতে শাকসবজির চাষ। শুরুতেই তারা চালকুমড়া, মিস্টি কুমড়া, করল্লা, মরিচ, লাউ, মুলা ও লালশাকের চাষাবাদ করেন। প্রথম তিন মাসে এসব সবজি বিক্রি করে আয় করেন ৩০ হাজার টাকা। নিজেদের উত্পাদিত সবজিগুলো তারা এলাকার বাজারে নিয়ে নিজেরাই বিক্রি করেন। রবি মৌসুমে সবজি বিক্রি করে তারা ঋণের টাকার বেশির ভাগই শোধ করেন। এবং পরবর্তী মৌসুমে ঋণের টাকা পুরোটাই শোধ করে বেশ লাভবান হন।

 

আয় বাড়ার কারনে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ায় আগের চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে পারছেন, ভালো পোশাক-পরিচ্ছেদ সহ তাদের পারিবারিক চিকিৎসায় তারা এখন পূর্বের চেয়ে অনেক খরচ করতে পারছেন । কৃষি কাজ করে তাহাদের জীবনযাত্রার মান অনেক বেড়েছে। এলাকায় পরিচিত ও সম্মানও বেড়েছে। কৃষি অফিস হতে আধুনিক ফসল চাষাবাদ এর ফলে অনেক কৃষক তাদের কাছ থেকে আজ কৃষি বিষয়ে পরামর্শ গ্রহন করে ফসলের আধুনিক চাষবাদ বাড়িয়েছে । পাশাপাশি তারা চারা/কলম/বীজ সংরক্ষন করে আরো বড় কৃষি ব্যবসায় জড়িত হওয়ার কথা ভাবছেন।

 

সার্বিকভাবে তারা উপজেলা কৃষি অফিস হতে প্রাপ্ত প্রশিক্ষণ, প্রদর্শনী, যন্ত্রপাতি ও সহযোগিতা পেয়ে পুর্বের চেয়ে অনেক ভাল আর্থ-সামাজিক অবস্থা অর্জন করেছেন। যা আজ গল্প নয় শুধুই সত্যি।  

ছবি/সংযুক্তি


ক্রম


Share with :

Facebook Twitter